যে সকল মুভি প্রত্যেক ইঞ্জিনিয়ারের একবার হলেও দেখা উচিত।

0
431

ইঞ্জিনিয়ারকে যে সব সময় বই-খাতা ধরে বসে থাকতে হবে এবং ওয়ার্কশপে প্রাক্টিক্যাল করতে হবে এমনটা কিন্তু নয়। একজন ইঞ্জিনিয়ারকে যেমন তার ডিপার্টমেন্টের পড়ার সাথে ফিজিক্স ক্যামিস্ট্রি ইকোনোমী এবং অন্য ডিপার্টমেন্টের বইগুলো পড়তে হয়। তেমন তাদের পড়াশুনার সাথে খেলাধুলা, আড্ডা গান সিনেমাও দেখতে হয়। আজকে আমরা এমনি কিছু মুভি সম্পর্কে জানব যা ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়ে তৈরি এবং প্রত্যেক ইঞ্জিনিয়ারের দেখা উচিত।

থ্রি ইডিয়টস:হিন্দি সিনেমা জগতের অন্যতম সাড়া জাগানো এবং জনপ্রিয় মুভি ‘থ্রি ইডিয়টস’। সিনেমার গল্প ভারতের একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ছাত্রদের নিয়ে। বিখ্যাত অভিনেতা আমির খানের অভিনয়ে একজন সত্যিকারের ইঞ্জিনিয়াদের কলেজ জীবনের ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া বন্ধু, বন্ধুত্ব, ভালোবাসা, আড্ডা, গান আর নিজের স্বপ্নের দিকে সাহস করে আগানোতে যে সাফল্য তা এই সিনেমায় নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২০০৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর মুক্তি পেয়েছিল সিনেমাটি। আক্ষরিক অর্থেই বলিউডের ইতিহাসের অন্যতম সেরা একটি সিনেমা। সকল ইঞ্জিনিয়ারদের এই মুভিটি অবশ্যই একবার হলেও দেখা উচিত।

দ্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক:২০০৩ সালের এক রাতে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ডরমিটরি রুমে মার্ক জুকারবার্গ বসলেন তাঁর কম্পিউটার নিয়ে। চালু হলো বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগের ওয়েবসাইট ফেসবুক। ২০০৪ সালে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু ফেসবুকের। মার্ক জুকারবার্গ ও তার প্রতিষ্ঠিত বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবসাইট ফেইসবুক এর ইতিহাস নির্ভর মুভি ‘দ্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক’। হলিউডের এই ব্লকবাস্টার সিনেমাটি মুক্তি পায় ২০১০ সালে। অনুপ্রেরণামূলক মুভির দিক থেকে এটি শীর্ষস্থানে রয়েছে। এবং একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারের জন্য মাস্ট ওয়াচ সিনেমা।

ভিআইপি:হোয়াই দিস কোলাবেরি ডি খ্যাত তামিল সুপারস্টার ধানুষের সিনেমা ভিআইপি। একজন ইঞ্জিনিয়ারিং স্টুডেন্টকে সিনেমাটি অবশ্যই দেখা উচিত। কারণ এই সিনেমায় এমন কিছু দেখানো হয়েছে যা আপনি অন্য কোথাও পাবেন না। এই মুভিটিতে দেখানো হয়েছে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে নিজেকে কখনো অবমূল্যায়ন করা উচিত নয়। কারন একমাত্র ইঞ্জিনিয়ারাই হচ্ছে দেশ গড়ার হাতিয়ার। তাদের হাতেই সব আধুনকতার সৃষ্টি। চাকুরি না পেলে একজন ইঞ্জিনিয়ারকে অবশ্যই তার আশা হারালে চলবে না এবং সব নিজের শিক্ষা ও জ্ঞানের বিশ্বাস জেনে সর্বদা সাহসী হওয়া উচিত।

মিকি ভাইরাস:বলিউডের আরেকটি জনপ্রিয় সিনেমা মিকি ভাইরাস। এই সিনেমায় দেখানো হয়েছে একজন কম্পিউটার সাইন্স ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্রে হ্যাকার হওয়ার গল্প। সে কিভাবে একের পর একটি দুঃসাধ্য হ্যাকিং করত। এভাবেই চলতে থাকে কাহিনি। যারা হ্যাকিং ও থ্রিলার মুভি দেখতে পছন্দ করেন তাদের অবশ্যই দেখা উচিত মিকি ভাইরাস।

সাড্ডা-আড্ডা:আমরা সকলেই পড়াশুনার জন্য বাড়ি ছেড়ে মেসে-হোস্টেলে এসে উঠি। আর এই মেস-হোস্টেলই একটা সময় গিয়ে আমাদের সেকেন্ড হোম হয়ে যায়। বন্ধু-বান্ধব ছোট ভাই বড় ভাই সবাইকে নিয়ে একটা পরিবারের মতো থাকি। সুখ-দুঃখ হাসি-কান্না তাদের সাথে ভাগাভাগি করতে হয়। যারা মেস ও হোস্টেল থেকেছে শুধুমাত্র তারাই বলতে পারবে লাইফের মজা কি। আর এই মেস লাইফ নিয়েই নির্মিত সিনেমা সাড্ডা-আড্ডা। এই সিনেমাকে শুধু সিনেমা বললে ভুল হবে। এটি আবগে ভালোবাসা আর একগুচ্ছ স্মৃতির মেলাবন্ধন।তথ্যসূত্র:ইন্টারনেট।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here