২৮ বছরের যুবক ইঞ্জিনিয়ারের অভাবনীয় আবিষ্কার।

0
319

কথায় আছে ইঞ্জিনিয়ার নাকি দেশ গড়ার হাতিয়ার। একমাত্র তারাই পারে দেশ এবং বিশ্বকে পাল্টে দিতে। এমনি কিছু করেছে ভারতের মধ্য প্রদেশের বাসিন্দা প্রশান্ত গারে। তাঁর আবিষ্কার তাক লাগিয়ে দিয়েছে পুরো বিশ্বকে। মাত্র ২৮ বছর বয়সী ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্র প্রশান্ত অত্যন্ত কম খরচে তৈরি করেছে আর্টিফিশিয়াল হাত। যারা অর্থের অভাবে কৃত্তিম হাত এর সার্জারি করাতে পারে না তারা সাধ্যের মধ্যে সার্জারি করিয়ে ফিরে পেতে পারে স্বাভাবিক জীবন।

প্রশান্ত বলেন, একটি রোবোটিক্স কম্পিটিশনে সে একজন ৭ বছর বয়সী বাচ্চার সাথে পরিচিত হয়, যার জন্মগতভাবে দুটি হাতই ছিলো না। যে দেখে সে ভীষণ কষ্ট পেয়েছিলো এবং সিন্ধান্ত নেয় সে তাঁর জন্য কৃত্তিম হাতের ব্যবস্থা করবে। কিন্তু সে যখন জানতে পারে এক একটি আর্টিফিয়াল হাতের সার্জারি করতে ২৪ লক্ষ টাকা সে তখন আকাশ থেকে পড়ে। সে বিষয়টি নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে গিয়ে জানতে পারে শুধু মাত্র ভারতে প্রতি বছর ৪০ হাজার শিশু হাত-পা ছাড়া জন্ম নেয়। আর যাদের সিংহ ভাগের সামর্থ্য থাকে না সার্জারী করানোর। আর বর্তমানে টাকার অভাবে ৫ লাখের বেশি মানুষ হাত-পা ছাড়া জীবন অতিবাহিত করছে।

এই তাড়না থেকেই প্রশান্ত সিদ্ধান্ত নেয় সে এই বিষয়ে গবেষণা করে এমন কৃত্তিম হাত-পা তৈরি করবে যা কম খরচে এবং সাধ্যের মধ্যে সার্জারি করানো যায়। সে এবিষয়ে গবেষণা করে এবং সফলও হয়। তারপর প্রশান্ত ইনালি ফাউন্ডেশন নামের এক সংঘ গড়ে তুলে। যার আদলে সে এপর্যন্ত ১ হাজারের বেশি মানুষের বিনামুল্যে কৃত্তিম হাতের সার্জারি করেছে।

প্রশান্তের ইনালী ফাউন্ডেশনের ক্যাম্পেইনের উদ্দেশ্য প্রতি মাসে একবার ভারতের প্রত্যান্ত অঞ্চলে যাওয়া এবং সেখানকার মানুষেরা যারা অর্থের অভাবে কৃত্তিম হাতের ব্যবস্থা করতে পারে তাদের আর্টিফিশিয়াল বা কৃত্তিম হাতের সার্জারি করানো। যাতে তারাও স্বাভাবিক মানুষের মতো জীবন ফিরে পায়।

ইঞ্জিনিয়ারিং হেল্পলাইন বিডির পক্ষ থেকে প্রশান্ত গারের প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা, ভালবাসা, শুভেচ্ছা ও আগামীর জন্য শুভকামনা। তাঁর এই মহৎ উদ্দেশ্যে সে যেন সফল হয়ে দেশ ও জাতির উপকার করতে পারে এই কামনা করি।তথ্যসূত্র:ইন্টারনেট।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here