কোডিংয়ে সময় কাটছে ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্র সৈকতের

0
191

ঘরে থাকার সময়টা কাজে লাগাতে শিক্ষার্থীদের অনেকেই সৃজনশীল নানা কাজে যুক্ত হয়েছেন। যে শখগুলো সময়ের অভাবে আগে পূরণ হয়নি, এই সময়ে অনেকে সেগুলো পূরণের উদ্যোগ নিয়েছেন।প্রোগ্রামিংয়েই আনন্দ রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের ছাত্র সৈকত হোসেন। পড়ালেখার পাশাপাশি কোড স্টুডিও নামে নিজের একটি সফটওয়্যার তৈরির প্রতিষ্ঠান দাঁড় করাতে চেষ্টা করছিলেন। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন স্টার্টআপ বা ছোটখাটো উদ্যোগের জন্য ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ বানিয়ে দিতেন তিনি।

মার্চের শেষে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় নতুন কাজ আসা বন্ধ হয়ে গেল, বন্ধ হয়ে যায় সৈকতের টিউশনির সুযোগও। বলে রাখা ভালো, প্রথম বর্ষ থেকেই সৈকত নিজের খরচ নিজেই চালাতেন। কিন্তু আয়ের সব পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছিলেন তিনি।

কিছুদিন এভাবে বসে থাকার পর অনলাইন শিক্ষণমাধ্যম ইউডেমিতে মোবাইল ও ওয়েব অ্যাপ তৈরির কিছু ভিডিও কোর্স বানিয়ে ফেললেন। পাশাপাশি ভিডিওগুলো নিজের ইউটিউব চ্যানেলেও রাখলেন সৈকত। সবার ইতিবাচক সাড়া আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিল তাঁর।

এদিকে জুনের শুরু থেকে আবার কোড স্টুডিওতে কাজ আসতে শুরু করে। সৈকত বলেন, ‘কোডিংয়ের আনন্দটা উপভোগ করছি বলেই ক্যাম্পাস বন্ধ থাকার পরও আমি বাড়ি যাইনি। মাঝেমধ্যে পদ্মা পাড়ে বসি। নিজেকে একজন উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখি।’ এরই মধ্যে রুয়েটের আরও ২০ শিক্ষার্থী সৈকতের সঙ্গে কাজ করতে শুরু করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here